Header Border

ঢাকা, শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল) ২৭.৯৬°সে

হিরো আলমের প্রতীক ‘একতারা’

বগুড়ার দুটি আসন থেকে উপ-নির্বাচনের জন্য প্রতীক পেয়েছেন সোশাল মিডিয়ায় আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

বুধবার দুপুরে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে প্রতীক হিসেবে ‘একতারা’ নেন তিনি।

দুটি আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের যে সিদ্ধান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা দিয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ডও তা বহাল রাখে। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই হিরো আলম হাই কোর্টে গিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার সেই রিট মামলার শুনানি শেষে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাকে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসানের কাছে গিয়ে তার হাই কোর্টে রিটের আদেশের কপি জমা দেন। তারপর তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে প্রতীক গ্রহণ করেন।

মনোনয়নপত্রে হিরো আলম ‘সিংহ’ প্রতীক চেয়েছিছেন। কিন্তু সেই প্রতীক অন্য একটি দলের নামে নিবন্ধিত হওয়ায় তিনি ‘একতারা’ বেছে নেন।

প্রতীক গ্রহণ করে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, “‘সিংহ’ প্রতীক বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন নামে একটি দলের নিবন্ধন করা। এটা আমি জানতাম না। ২০১৮ সালে ওই প্রতীক নিবন্ধিত ছিল না। তাই মার্কা পরিবর্তন করে এবার ‘একতারা’ নিলাম।”

জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী উল্লেখ করে হিরো আলম বলেন, “বিগত নির্বাচনে আমার লোক কম ছিল তাই হামলা করেছিল। এবার আমার কর্মী বাহিনী অনেক বেশী। হামলা হলে পাল্টা-হামলা করবো।”

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম প্রতীক বরাদ্দের পর হিরো আলমের ‘মানসিক শক্তির’ প্রশংসা করেন এবং তার জন্য শুভ কামনা জানিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দেন।

এ সময় সেখানে জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান, বগুড়া সদর নির্বাচন কর্মকর্তা এ এস এম জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০১৮ সালেও হিরো আলম বগুড়া-৪ সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করে জামানত হারিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিএনপির সংসদ সদস্য পদত্যাগের পর নতুন করে বগুড়ার দুটি আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

হিরো আলমের দাবি, ‘ভোটারদের চাওয়ায়’ এবার তিনি দুটি আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু ‘প্রার্থীদের দেওয়া এক শতাংশ ভোটার তালিকা যাচাই করে একাধিক ব্যক্তির সমর্থনের সত্যতা পাওয়া যায়নি’ বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা দুটি আসনেই তার মনোনয়ন বাতিল করে দেন।

পরে তিনি ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে গেলে আদালতে যান হিরো আলম।

এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনের যে আইন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন শেষে রিট করবেন বলেও জানান তিনি।

একে ‘কালো আইন’ হিসেবে অভিহিত করে হিরো আলম বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া এই নিয়ম একটি প্রহসন, হয়রানিমূলক এবং সাংঘর্ষিক।”

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেলায় তা করা হয় না। আবার দলীয় প্রতীক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বেলায় প্রযোজ্য।

“কিন্তু উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের কেন দলীয় প্রতীক দেওয়া হয় না। একই নির্বাচনে দুই ধরনের নিয়ম কি সঠিক?“

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, পাঁচটি সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনের ভোট হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি।

বগুড়ার কেবল অপারেটর আশরাফুল আলম নিজের মতো করে গান গেয়ে ও মিউজিক ভিডিও তৈরি করে সোশাল মিডিয়ায় তুলে দেশ এবং দেশের বাইরেও এখন পরিচিত।

তিনি রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন। তারপর পুলিশ তাকে ডেকে নিয়ে সতর্ক করে। তা নিয়েও সোশাল মিডিয়ায় সমালোচনায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

Print Friendly, PDF & Email

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

মাগুরায় জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা
যশোরে চার কিশোর অপহরণ, নিরুপায় মায়ের থানায় অভিযোগ
ঝিনাইদহে ভর্তুকি মুল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
ঝিনাইদহে নিতাই ঘোষের উপর সন্ত্রাসী হামলা, গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন
মাগুরায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কাবাডি প্রতিযোগিতা
ঝিনাইদহে ভর্তুকি মুল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম’র উদ্বোধন

আরও খবর

Design & Developed By VIRTUAL SOFTBOOK Premium Web & Software Solutions