1. admin@durantoprokash.com : admin :
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো ছেলে মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ঝিনাইদহে আবন হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার ঝিনাইদহে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন ঝিনাইদহে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবি’র পণ্য নিতে এসে হয়রানির শিকার নিম্ন আয়ের মানুষ ঝিনাইদহে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষনের অভিযোগ নিত্যপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিএনপির স্মারকলিপি প্রদান নিত্যপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিএনপির স্মারকলিপি প্রদান ঝিনাইদহে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সাংবাদিকদের কাজ অন্ধকারে লাইট মেরে তথ্য বের করে আনা- তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বানাতে অপ্রতুল বরাদ্দ কেন ?

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ১১৯ Time View

মাত্র এক লাখ একাত্তর হাজার টাকায় রান্নাঘর ও এটাস বাথরুমসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর ভেঙ্গে পড়া নিয়ে দেশব্যাপী হৈচৈ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে ভারাইল হচ্ছে ভেঙ্গে পড়া প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পাওয়া ঘরের ছবি। ফলে বিপাকে পড়ছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে আনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর নেমে এসেছে শাস্তির খড়গ। তাদের অনেকের ওএসডি বা বদলী করা হয়েছে। এখনো শাতাধীক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রয়েছেন প্রশাসনিক শাস্তির ঝুঁকির মধ্যে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের এই ঘর নির্মানের বাজেট ও ঘরের ডিজাইন যে ভাবে করা হয়েছে তা ওই বাজেটে হয় না। মাত্র এক লাখ একাত্তর হাজার টাকায় এধরণের একটি বাড়ি তৈরী হওয়া অসম্ভব। কথা হয় ঝিনাইদহ জেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের একাধিক প্রকৌশলীদের সঙ্গে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকৌশলীরা জানান, এসব ঘর তৈরী করতে অস্বাভাবিক ডিজাইন করা হয়েছে। ঘরের পোতা দেড় ফুট ও বারান্দা এক ফুট করে ডিজাইনে ধরা আছে। আর এই ডিজাইন নিচু ও উচু এলাকার জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য হলেও বরাদ্দ কিন্তু একই। এই বরাদ্দের মধ্যে ঘর করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নিচু এলাকায় দেড় ফুট পোতা ও এক ফুট বারান্দা দিলে স্থায়ী হয় কিনা তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। ঘরের খুটিনাটি বিশ্লেষন করে দেখা যায়, একটি রান্নাঘর ও এটাস বাথরুমসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর করেত বরাদ্দ রয়েছে ৬ হাজার ইট। যার দাম ৫০ হাজার টাকা। ৪০ থেকে ৪৫ ব্যাগ সিমেন্ট যার দাম ২০ হাজার টাকা। ৬ বান্ডিল টিন যার দাম ৪২ হাজার টাকা। ১০ হাজার টাকার কাঠ, ১৫ হাজার টাকার বালি, মিস্ত্রী বাবাদ ৪০ হাজার টাকা, বাথরুমের প্যান ও ফিটিং বাবাদ ৩ হাজার টাকা (ধরা আছে ১৬০০ টাকা), ঘরের মেজেতে মাটি ভরাট, জানালা, দরজা ও গ্রীল দিয়ে প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। অথচ বিশ্ব ব্যাপী এমন একটি আলোচিত ও নন্দিত প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কোন বরাদ্দ নেই। প্রকল্পের টাকা ফিক্সড করে দেওয়ায় অনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ইটভাটায় গিয়ে কাকুতি মিনতি করে ইট নিতে হয়েছে। এখন বিষয়টি সচ্ছভাবে তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে এই প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে, নাকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাধ্যের মধ্যে অসাধ্য সাধন করতে হয়েছে!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© দুরন্ত প্রকাশ কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত ২০২০ ©
Theme Customized BY WooHostBD